‘বলেছিলে ভুলবোনা এ-জীবনে আমরা আমাদের
প্রতিজ্ঞা করেছিলে ভালোবাসার সুতোয় বাঁধব দুজন’
শুয়ে শুয়ে ভাবি আমি সেই অচল শপথের কথা
হৃদয়ের গভীরে খচখচ করে ওঠে এক অচেনা ব্যথা।
একদিন আমি বলেছিলাম লক্ষ্মী-সরস্বতী
চণ্ডী-বেহুলার ধারা তুমি- তুমিও বলেছিলে
রাধা-কৃষ্ণ, খম্বা-থোইবীর অমর কাহিনী,
কিন্তু আজ রাধা ও কৃষ্ণ, খম্বা ও থোইবীতে দূরত্ব অনেক,
চেতনার চারিদিকে এক রহস্যময়ী পাপেটের ওড়াওড়ি
সামনে দাঁড়িয়ে আছে দুরন্ত এক মহিষ
হিংস্র কুকুরের গর্জন ভেসে আসে ইথারে ইথারে
পলায়নপর মা কালীর ভুলের মাশুল দিচ্ছে রক্তাক্ত জিহ্বা
হঠাৎ কোথা থেকে যেন পালিয়ে এলো সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে
সীতা, দ্রৌপদী, মাইনু পেমচা এই উন্মুক্ত ময়দানে
আর অন্ধ গহ্বরে আত্মধিক্কারে হাতড়াতে থাকে
দেবরাজ ইন্দ্র, জিউস, পাখংবা, মহাদেব
রাবণ, দুর্যোধন আর নোংবানের দু’চোখ অশ্রুসিক্ত আজ
ক্লিওপেট্রা, মোনালিসা, শন্দ্রেম্বীর হাসিতে প্রশান্তি খুঁজতে গিয়ে দেখি
ছোপ ছোপ রক্তে রঞ্জিত হয়ে আছে স্তনাগ্র থেকে নাভিমূল।
কে তুমি বসে আছো পুষ্পরথে?
হৃদয়ের স্পন্দনে তুমি কি বিচলিত নও?
একবার তাকিয়ে দেখো চেতনার শার্সিতে
বলে যা একবার- কে?
আমি ভঙ্গি পরিবর্তন করে শিয়ে থাকি পুনরায়।
——————————————
কাউথোক্নরোইসি হায়নখিবদায়নে নঙ-ঐ
মপোক অমা তৎনা-থানরোই বাশক্নখি ইবানি
লোংখ্রাক লোংনা হিপ্লগা খনখি ইদোমতা
থম্মোয়নুংদা ফাউরকখি অকনবা চৈনা অমা ।
নোংমা হায়খি ঐনা লক্ষ্মী-সরস্বতী-চণ্ডী-বেহুলাগী ধারানি নঙসে;
রাধা-কৃষ্ণ, খম্বা-থোইবী পনখি নঙসু নোংমা
অদুবু থাপতোক্নখ্রে ঙসিদি রাধাগা কৃষ্ণগা, খম্বগা থোইবীগা
লাইফদিবী অমা কোইপাই পাইখি ইমাঙদা
নারেং হুৎতবা ইরোই লাবা অমা লেপখি মাঙদা
খাক্ন খাক্ন খোংখি হুই লাবা অমা
চেনফম খঙদ্রবা কালী মরৈদু চিকশিল্লি
সীতা, দ্রৌপদী, মাইনু পেমচা কদোমদগিনো
মফি মরোল য়াউদনা লমজাউসিদা
লাইনিংথৌ ইন্দ্র, জিউস, পাখংবা, মহাদেব
ওন-থোয়না লাক্নরি লৈনাং কফুৎ মরকসিদা
পীরাং শিহ্নরকখি রাবণ, দুর্যোধন, নোংবানগী মীৎলুদা
ক্লিওপেট্রা, মোনালিসা, শন্দ্রেম্বীগী নোকফেৎ তৌবা মাইথোং
ঈ চদুম চদুম খোমজিন্দগী খোইদৌ শিনথুংনা
লৈ-গী দোলাইদা ফম্লিবা নঙবু কনানো?
থম্মোয়গী তান্থা ফাউদবরা নঙদি?
অমুক্তং য়েংলম্মু কৈদৌগে মিংশেলদা ওইরবসু
হায়রম্মু ওন্থোক্তুনা নমায়দো-কনানো?
লোংলম্বা ঐ উপশিল্লকই খঙহৌদনা।
———————-
———————-
কবিঃ হামোম প্রমোদ
অনুবাদঃ শেরাম নিরঞ্জন
কাব্যগ্রন্থঃ বাংলাদেশকী মণিপুরী শৈরেং


