যাঁর নামের রসায়নে সাহিত্য ও সংগীত রসসিক্ত, সেই রসময় নটবর শ্রীকৃষ্ণকে তাঁর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাই।
ঘুরে আসি সাহিত্য-গীতের পংক্তি থেকেঃ
ভোমর কইও গিয়া
শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদে রাইয়ার অঙ্গ যায় জ্বলিয়া
শ্যাম তুমি শুধু লীলা বুঝো, মন বুঝো না
বুঝিলে বুঝিতে আমার মনের বেদনা
বনমালী গো তুমি পরজনমে হইও রাধা
আমি মরিয়া হইবো শ্রীনন্দের নন্দন
তোমাকে বানাবো রাধা
কালারে কইরো গো মানা
সে যেন আর কুঞ্জে আসে না
কার কুঞ্জে সে পোহায় নিশি
করে মোরে বঞ্চনা
নির্জন যমুনার কূলে
বসিয়া কদম্ব তলে
বাজায় বাঁশি বন্ধু শ্যাম রায়
গোপীজন মনোচুর গিরিধারী নাগর
রাখো মিনতি রাঙ্গা পায়
কৃষ্ণ আইলা রাধার কুঞ্জে ফুলে পাইলা ভোমরা
ময়ূর বেশেতে সাজইন রাধিকা
ও রে নীল যমুনার জল
বল রে মোরে বল
কোথায় ঘনশ্যাম
নটবর শ্যামরায় চলিলো মথুরায়
বিরহ অনলে প্রেম
পুড়ে হবে ছাই
কার তরে নিশি জাগো রাই
বন্ধু তুমারও পিরিতি বিষমো যাতনা
কার প্রাণে সহিতে পারে রে
তুমি যদি আমারে ছাড়ো বা কালাচান
আমি না ছাড়িবো তুমারে
———————-
* অসংখ্য এমন সাহিত্য-গীত রয়েছে। আমার নিজের লেখা কিছু পংক্তি দিয়ে শেষ করছিঃ
রাই মরে তোর তরে রে শ্যাম আর কত ঝরাবি চোখের জল
যদি ডুব দিতি তো তুই মরিতি পাইতি না যমুনার তল
করিস কেন ছল রে শ্যাম রায়
আগুন লাগাইলি মন্তরায়
মোর নটবর শ্যামরায় যায় যায় গো- শট নট শ্যাম রায় যায়
লহর লহর মুরলী শোধায় গো মোহন চিকন শ্যাম যায়
বিপিন পুলিনে যমুনায় হায় শ্যাম বিনে প্রাণহীন বিনোদিনী যায় মুরলীর সুরে লাজ লুটায় লুটায় গো বিপিন বিহারী শ্যাম যায়


