author photo

শায়েরী

null

এক জীবন কাটাতে গিয়ে জীবনকে বড় কম মনে হয়
সে তো ভিন্ন কথা প্রদীপের জীবন এক রাতেই শেষ হয়
এক জীবন কাটাতে গিয়ে জীবনকে অপূর্ণ মনে হয়
সে তো আরেক কাহিনী মেঘ বৃষ্টি হলেই পূর্ণ হয়

একটি পাপড়ি চাইতে গিয়ে গোলাপের বাগানকে কম মনে হয়েছিল
সে তো আরেক ইতিহাস ঝরা কলির ভাঙ্গা বুকে শত ফুলের বেদনা ছিল
পিয়াস মেটাতে গিয়ে ভরা পেয়ালায়ও তিয়াস বাকি রয়ে গিয়েছিল
সে তো চকিত খবর এক বিন্দুমাত্র শিশিরে মরু তৃষ্ণায় সুখ পেয়েছিল

একটি প্রেম চাইতে গিয়ে সহস্র মনের আকুতিকেও বেশি কিছু মনে হয় না
একটু ছুঁয়া অথবা একটি চুম্বনের কাছে অজস্র ব্যথার হিসেব সমান হয় না
দাবানলে জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও অযুদ সবুজ পাতার দুঃখ কেউ মনে রাখে না
অথচ একটি মনের আঙ্গার হওয়া আখ্যান হয় অথবা ইতিহাস না হয়ে পারে না

সময়ের প্রশ্ন ছিল ভূত ইতিহাসের কাছে মনের রঙ কেমন হয়
উত্তর এসেছিল আকাশের দিকে তাকালে যেমন হয়
অথবা কাজলা দিঘীর জলরঙের মত বারবার বদল হয়
যেন শিল্পীর তুলিতে বারেবার রূপরঙ আঁকা হয়

প্রশ্ন ছিল মনের জ্বলন কি খুব বেশি কিছু
শ্লেষের উত্তর ছিল পতঙ্গও তো মরে পিছুপিছু
দীপ পুড়ে ধূপও জলে যায় নিচুনিচু
কারও কম নয় কারও নয় বেশি কিছু

সূর্যমুখী কাছে পায়নি বলে সমাপ্তি টানেনি সূর্যার্ঘতে
ঝরণা সাগর না পেয়ে থামায়নি জল ঢেলে দিতে
ফুলেরও অভিযোগ নেই ভোমর জানে শুধু নিতে
নাঁটাই বাঁধলেও ঘুড়ি ছিঁড়ে চায় চলে যেতে

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন:

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে হলে আগে লগইন করুন।

জলসাঘরে স্বাগতম!

প্রবেশ পথ

কুঞ্চিকা হারিয়েছে?

সদস্যপদের জন্য

কৃপা করে সারথির কাছে বার্তা প্রেরণ করুন: [email protected]