———————————————–
———————————————–
আজ যদি গো এই আসরে ঝরাও তোমার চোখের জল
কসম তোমার ঝিলিক-হাসির মাঝ সাগরে হবো তল
এই তিথীতে তিতি চোখে জমিও রেখো অথই সুখ
সেই সুখের রেশে হোক না সুধা এই পেয়ালার জল-গরল
তোমায় দেখা সেই তিথীটির স্মৃতি বড় মনে আসে
যেমনি করে রোদের পরে নীল আকাশে মেঘ ভাসে
একলা ঘরে তোমার ছায়া চোখের ভুলে দেখিতে পাই
নামলে পরে বর্ষা-বাদল যেমন হত মাঘ মাসে
পাতায় লিখে খাতার চিঠি ভাটিতে দিলে তার দিঠি
উজানে আমার ভাঙা কুটির কেমনে যাবে সেথায় ছুটি
বইলে বাতাস সাঁঝের বেলা যদি দিতে চুলের ঘ্রাণ
পেলেও পেতাম দেখে দেখে সন্ধ্যাতারায় মিটিমিটি
তোমার বুকে কঞ্চুলিকা যেমনি করে থাকে ছুঁয়ে
সকল শ্রান্তি ভুলিয়ে দিত সেই বুকেতে শির থুয়ে
ধুকুপুকু বুকের ঘরে মিলে যেত গীত ও সুর
কইতে কথা যখন হেসে চাঁদকাটা ঐ মুখ নু’য়ে
বেলার খেলা ভুলে গেলে ভাঙতে মেলা ঊনিশ-বিশ
সুরয যদি না উঠে গো সুরযমুখীর জান হাপিস
আলো না দিলে চাঁদের কি আর থাকত এত মান ও দাম
না উতলালে কামনার জল শৈবাল এসে ঢালবে বিষ
—————————————————
—————————————————


