সকালে উঠিয়া মুখের ভিতর কাঠি ঢুকাইয়া ঘুটাইতে ঘুটাইতে ফাইনাল ঘুটা শেষ হইলে পানি দিয়া ধুইয়া সেলিম সেলেনটেক্স ইচমাইল দিয়া আনারকলিকে পাইয়া গেলো। আকবর বাবু ‘আ আ আ অ্যা অ্যা অ্যা’ শুনিতে শুনিতে ঘুমাইয়া পড়িলেন, কারণ তার পাশেই নিশ্চিত সুরক্ষার ভরসা দিয়া ধূমা বাহির হইতাছে।
পকপকা আলো জ্বালাইয়া মাছের রাজা ইলিশ দিয়া কবি কুদস ভাত খাইতে বসিল। তার ইচ্চে ছিল- ভাত খাইয়াই একখান দুস্কের কোবতে লেখিবে যা পড়িলে হার্টে খুচা লাগে। কিন্তু যা হইলো তা কি আর বলিব- হিয়ার বদলে গলায় কে যেন অগোচরে ব্যথা দিতে লাগিল। সে নিধিরাম হোমিওপ্যাথ ইচস্পেচালিস্টের কাছ থাইক্কা আনা দশ বড়ি এনাগেলিস খাইয়া শুইয়া পড়িল।
কাশফুলের নরম ছোঁয়ার উপরে ভরসা না করিয়া দিনে তিনবার যেইভাবে একসাথে দশ কন্ঠের ‘আম্মু তুমি লক্ষ্মী’ শুনিতে হইল, তাহাতে মেনকা ভাবিল মায়া করিয়া মায়াদিদি যা দিয়া যাইত তাহা লইলেই ভালা হইত।
গোছল করিয়া লাবু গায়ে সুগন্ধি মারিতে মারিতে তাবুর কাছে গেলেও, সৌরভে ভালবাসা হয়কে ভুল প্রমান করিয়া তাবু আপন শক্তিতে জ্বলিয়া উঠিল। দিন যদি বদলায় সেই আশায় লাবু কবি কুদসের মত গাছের তলায় বসিয়া রইল। সেই গাছে বেল ছিল, কাউয়া ছিল- সে খেয়াল করিল না। যদিও তাহাকে তরোবারির ধার দিয়া ন্যাড়া হইতে হয় নাই।
একদিন বাচ্চাবুড়া হক্কলে ‘আমরা করবো জয়’ গান গাইয়া হাঁটিতে লাগিল। গাছে পাকা আম থাকিলেও তাদের নাকি আমের রোগে ধরিয়া ছিল। তারা ছুঁয়ো না ইনফেকশন হবে- এর ভয়ে ঘরে বসে থাকে নাই, তাদের কনফিডেন্স ছিল যে তারা স্টার হয়ে যাবে।
কুটুম্বিনী মরিল। তার দাহ করার কেউ ছিল না। অনেক দিন না খাইতে পাইয়া গদাধরের গুরু জনার্দন ভিক্ষা করতে বাইর হইলেন। ভিক্ষা পাইলেন না, কাজের আমন্ত্রণ পাইলেন। গদাধরের গুরু অবশেষে কোন উপায় না দেখিয়া শ্মশানের চণ্ডাল হইলেন। গদাধর দেখিতে পাইয়া ডাকিল- প্রণাম গুরুচণ্ডাল!
……………


