জলসাঘর » বাংলা সাহিত্য » গল্প
author photo

শিং-কাঁটা যন্ত্রণা

এক বর্ষার বিধৌত ডোবার জলে যখন জিয়লরা এসে বাসা বাঁধল, বাবুল কিছু কলাপাতা ফেলে দিল। শেওরা গাছের ছোট কয়েকটি ডাল ফেলে দিল। সকালে-বিকালে মাছগুলো লেজকে কায়দা করে পানিতে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ডোবার পাশের গাছের ডাল-পাতা ভেদ করে কয়েক চিলতে রোদ এসে পড়ে পানিতে। কালচে টলটল পানিতে আবছা … [বাকিটুকু পড়ুন]

author photo

চিত্রা পঞ্চমীর চাঁদ

চিত্রা পঞ্চমীর চাঁদ উঠল। ঠিক মাথার উপরে নয়। পশ্চিমে একটু হেলে।
তখনও সাদা বকটি বাঁশের ঝাড়ে রাত্রির শয্যানিবাস ঠিক করতে পারেনি বলে ইতিউতি করছে। একটি ফিঙ্গে বকটির আশেপাশে ঘুরছে। হয়তো ক্লান্ত বকটিকে বিরক্ত করে আনন্দ পাচ্ছে। মশাদের রজনী-রাগ শুরু হয়ে গেছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা হয়তো অদূর দিনগুলিতে, ব্যাঙদের কেউ কেউ ডাক … [বাকিটুকু পড়ুন]

মন্তব্য করুন ১০৭ বার পঠিত
author photo

বিস্মৃতি

আমার এখন মনে হয়, তার সাথে দেখা হওয়া একেবারে দৈবাধীন ছিল!

উত্তরের হাওয়া দক্ষিণ সাগরের ঢেউয়ে ঢেউয়ে গান করছিল। জলডুবা ঘাসের ঝাঁঝালো গন্ধ নাকে এসে লাগল, বিকেলে বাতাসের ঘ্রাণ জানিয়ে দিচ্ছিল একটি রৌদ্রস্নাত দিন চলে যাচ্ছে। সবুজ ঘাসের গালিচায় বসে আমার মনে হচ্ছিল বাতাসের সাগরে আমি ডুব দিচ্ছি, কন্টকাকীর্ণ … [বাকিটুকু পড়ুন]

মন্তব্য করুন ১৬৭ বার পঠিত
author photo

বুড়ি

খালপারের থুরথুরি বুড়ির বাড়িতে প্রতিদিন সকাল একটু আগেই হয়। কাক হয়তো তখনও ডাকেনি। মোরগটা হয়তো তখনও দিন শুরুর খবর পড়েনি। বুড়ির ঘুম ভেঙ্গে যায়। বুড়ি উঠে পড়ে। বাইরে গিয়ে প্রাকৃতিক কাজ সারে। উঠোন ঝাট দেয়। এই কাজগুলো শেষ হলেই শুরু হয়- নাতনির উদ্দেশ্যে তার ভাষণ।

মাইলোনাউরি এখনও কিতা তোর ঘুম … [বাকিটুকু পড়ুন]

মন্তব্য করুন ১৮০ বার পঠিত
author photo

রক্তজবা

মোহিনীপুরের রাত্রি ঊষার রঙ মাখিয়া যবনিকার আড়ালে মুখ লুকাইতেছে- তাহার আয়ু কয়েক পলক মাত্র হইল। ধরণীর এই অর্ধভাগ আড়মোড়া ভাঙিয়া তখনও চক্ষু মেলে নাই, অপর অর্ধভাগ পরিশ্রান্ত দিবাবসানে সন্ধ্যার আঁচলে মুখ লুকাইতেছে- তাহা নিশ্চিত করিয়া বলিতে পারি। আর এইখানে- শূন্য পেয়ালা লুটাইয়া পড়িয়াছে, সারা রাত্রি ব্যাপিয়া … [বাকিটুকু পড়ুন]

মন্তব্য করুন ১৬৮ বার পঠিত
author photo

অ্যা ফ্রাইডে নাইট

ফ্রাইডে নাইট!
এমনই তো প্রতি সপ্তাহেই আসে। আমার জীবনে খুব বিশেষ হয়ে একবার এসেছিল। আর একবারেই সারা জীবনের জন্য তার ছাপ রেখে গিয়েছিল।

শহরে তো প্রতিদিন বাতি জ্বলে। সন্ধ্যার ছায়া নামতে না নামতেই আলো জ্বেলে উঠে। কিন্তু সেদিন, অন্যরকম ছিল। এত আলো, এত ঝলমলে! জানি, সবই আমার মনের মাঝে। এত হর্ষিত … [বাকিটুকু পড়ুন]

মন্তব্য করুন ১৪২ বার পঠিত
author photo

অভ্যাস

হেমন্তের শাড়ী পরে আছে বিস্তীর্ণ মাঠ। মাঠের একপাশে জংলার মত। এককালে কারও বাড়ি ছিল। এখন খালি পড়ে আছে। কে মালিক ছিল কেউ জানে না। কাউকে মালিকানার দাবি করতেও শুনা যায় না। সবাই খালিবাড়ি নামেই চেনে। লাকড়ি কুড়াতে, বনের ফলমূল খেতে কেউ কেউ কদাচিৎ ওদিকে যায়। একটি বড় পুকুর ছিল। কালের … [বাকিটুকু পড়ুন]

মন্তব্য করুন ১০৯ বার পঠিত
author photo

কেড়ে নিলো মিলার জীবন

মিলার কেউ নেই। ছোট বেলাতে বাবা-মাকে হারিয়ে মামীর নিযার্তনের মাঝে বড় হতে লাগলো। পরে মিলার দাদু মিলাকে বাড়িতে নিয়ে আসতে চাচাকে পাঠান। সেই থেকে মিলার আসল ঠিকানা একমাত্র;  এই চাচা-চাচী ও দাদুকে নিয়ে।

প্রতিদিন বিকেল বেলায় বাড়ির দক্ষিণ পাশের পুকুর ঘাটে বসে থাকতে মিলার বেশ ভাল লাগে। সেখানে বাশঝাড়ের গাছ এত … [বাকিটুকু পড়ুন]

মন্তব্য করুন ১১৮ বার পঠিত
author photo

পিতা

‘ঈশ্বরত্ব! হ্যাঁ ঈশ্বরত্ব। যে ঈশ্বরত্বের অনুভূতিতে এক পিতা পুত্রকে বলতে পারে না- পুত্র, তুই আমার সব, তুই আমার ছায়া, তুই আমার পৃথিবী। পিতা পুত্রকে ভালোবাসে, পুত্রমোহে ডুবে থাকে। বলতে পারে না। ঈশ্বর কি এমন হয়?’

‘না, জে!’- চার্চের নিরবতায় ফাদারের ভরাট গলা শুনা গেল। রবিবার ছিল সেদিন। এমনই কত রবিবার … [বাকিটুকু পড়ুন]

মন্তব্য করুন ১১০ বার পঠিত
author photo

ভগ্ন মুকুরের ছবি (১ম ভাগ)

আজ- অনেক কাল পরে কালের স্রোতে বিলীন হয়ে যাওয়া ভগ্ন মুকুরের ছবি চোখের সামনে ভেসে উঠল। যেন আমি হাত বাড়ালেই স্পর্শ করতে পারব। যেন এই প্রথম আমার চোখের সামনে ঘটে যাচ্ছে। শোষণ-বঞ্চনার ব্যাকরণ শাস্ত্র পাঠ করে যে সমাজ একদিন একদিন করে হাজার হাজার বছর অতিবাহিত করে চলেছে- সেই অগণনীয় সময়ের … [বাকিটুকু পড়ুন]

মন্তব্য করুন ১১৫ বার পঠিত

জলসাঘরে স্বাগতম!

প্রবেশ পথ

কুঞ্চিকা হারিয়েছে?

সদস্যপদের জন্য

কৃপা করে সারথির কাছে বার্তা প্রেরণ করুন: [email protected]