জলসাঘর » বাংলা সাহিত্য » গদ্য-কাব্য
author photo

এক পা-দু’পা…

এক পা-দু’পা

 

তোমার স্মৃতি যা ছিলো অন্ধকার সময়ের ব্যবচ্ছেদ তা থাকুক তালাবন্ধ, চাবিটা ফেলে দাও সমুদ্র গহীনে। এবার চোখ বন্ধ করে ভেবে দেখো তোমার মনেও আছে একটা বিশুদ্ধ অরণ্য, দূষণহীন। জড়িয়ে কুয়াশা শুকনো পাতায় আছে পালক ওম। শব্দের বৃত্তেরা গাছের পাতার ফাঁক-ফোঁকর গলে পাখিদের সাথে … [বাকিটুকু পড়ুন]

author photo

সবই তো তোমার ছিল

একদিন সবই তো তোমার ছিল। এই পৃথিবী, মাথার উপরে আকাশের বিশাল চাঁদোয়া, ক্ষয়িষ্ণু-বর্ধিষ্ণু অথবা ষোলকলা পূর্ণিমার চাঁদ- সবই তো তোমার নামেই লেখা ছিল। তুমি যদি একবার বলতে, ঐ চাঁদ আমার; তাহলে কবির কালির দোয়াত শেষ হয়ে যেত তোমাকে ঐ চাঁদ দলিল করে লেখে দিতে গিয়ে। আমি জানি, সেদিনগুলি এমনই ছিল! … [বাকিটুকু পড়ুন]

author photo

বেলতলায় জেগে উঠুক মন্দাকিনীর ঢেউ

বেলতলায় আজ জেগে উঠুক মন্দাকিনীর ঢেউ। তুমি চলে এসো মন্দাকিনী, এখানে মিহি-ধুলো বিছানো আসরে সন্ধ্যার যবনিকা নামুক। সন্ধ্যা তারার মিটিমিটি বাতি জ্বলে উঠুক। তুমি চলে এসো।

যেদিন বাজারে বিকাবে বলে হেঁটে চলেছিলে তুমি, আমি মর্মে মর্মে জ্বলেছিলাম। অথচ সেদিন! সমস্ত বাজারই তোমার কাছে বিকাবে বলে তোমার পায়ে পড়েছিল। আর তুমি … [বাকিটুকু পড়ুন]

author photo

তবে তাই হোক উমরাও

শিউলির তল, খালি পড়ে আছে। ধূলি জমে আছে। তবে তাই হোক উমরাও! তুমি এখানেই নেচে যাও, সব ভুলে, পৃথিবী ভুলে। তোমার সম্মুখে দাঁড়ানো- আমাকেও ভুলে গিয়ে।এখানে কাঁটার ভয় নেই, যদিও ফুলও নেই। যা আছে সব শিউলির শব- মৃত্তিকায় মিশে গেছে সেই কবে। তুমি নেচে যাও- দক্ষ গৃহে বসন্ত উৎসবে নাচা … [বাকিটুকু পড়ুন]

author photo

কিছু তো রইলো তোমার

তুমি তো ছিলে না অচেনা কেও
জলসায় ,ঘুঙ্গুর, সাকির বেদনায়
কোথাও তো ছিলে তুমি !
আকাশে ছিল না চাঁদ ,
ছিল না বৈরাগী বাতাস ,
তবু আজ ছিলে তো কোথাও ….
আমাদের জীবনের সব কিছু প্রাপ্ত হবে এমন নয় , আমরা তো জানি জীবন স্বপ্ন দেয় , … [বাকিটুকু পড়ুন]

author photo

বয়সটা এভাবেই বেড়ে গিয়েছিল

আমাদের বয়সটা বেড়ে গিয়েছিল। তারাভরা রাতে যেদিন একটি তারা অনেকক্ষণ জ্বলে উত্তর থেকে দক্ষিণে এসে পড়েছিল, সেদিন থেকে। সেদিনই প্রথম অনুভূত হয়েছিল, কারও নিঃশ্বাসের কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহন করেও সুখ পাওয়া যায়। শরীর শিহরিত হয়। শরীর কাঁটা দিয়ে উঠে। লোমগুলো সব খাড়া হয়ে যায়। সেদিনই প্রথম এমন লেগেছিল, অধরের পাতলা ত্বকের প্রলেপটুকু … [বাকিটুকু পড়ুন]

author photo

মুক্তগদ্য: ধূপমিশালির ঘাটে

তখন ছিলো সন্ধ্যেরঙের পথ। ধূপমিশালি ঘাটে দাড়িয়ে তুমি বলেছিলে, তোমার একটা প্রতিচ্ছবি দেবে আমায়! সে কথা কচি পাতা হয়ে ঝুলে রইলো টবের গায়,ধূপমিশালি ঘাঠ হলো নীল; আমি চোখপাতায় হাত ছোয়াই -বলি কেন রে এত তেষ্টা? চোখ শুধু বোবা হয়ে যায়! সামনে দাঁড়ালে আমি জমে যাই মোমের ফোটার মতো, জমে যাই … [বাকিটুকু পড়ুন]

author photo

রাখালিয়া

এখানেই ছিল। হ্যাঁ, এখানেই ছিল আমার বিস্তীর্ণ সবুজ ভূমি। একদা এখানেই আমি ছিলাম সবখানে মিশে- যেন ঘাসের সবুজ পাতা আমারই কথা বলত। ঘাসের ফুল- আমারই গান গাইত। আমি ছিলাম, আর ছিল ওরা- শ্যামলী, ধবলী, কবলী, আরও কতজন।

সকালের সূর্য হেঁটে গেলে কিছুদূর পথ- ঠিক পুবের সুপারী পাতার আড়ালে উঁকি দিত; রোদ … [বাকিটুকু পড়ুন]

author photo

এক আসরের ইতিকথা

জলের প্লাবন এসেছিল! যদিও তার চোখে প্লাবন ছিল (যেন) অনন্ত কাল ধরে। যেদিন থেকে লজ্জাবতী লাজে মরতে শিখেছে সেদিন থেকে। কারণ- তাকে ঘোমটার আঁড়ে লাজে মরতে দেখেছি, অন্তসলিলার মত বইতে দেখেছি, যদিও অঝোর ধারায় চোখের জল-সিঞ্চন কখনও কখনও- চাঁদের তিথিতে সাকার হত; আর সেদিন তটিনীও উত্তাল হত ঊর্মির সফেন মালায়।

নগরের … [বাকিটুকু পড়ুন]

জলসাঘরে স্বাগতম!

প্রবেশ পথ

কুঞ্চিকা হারিয়েছে?

সদস্যপদের জন্য

কৃপা করে সারথির কাছে বার্তা প্রেরণ করুন: [email protected]