ইংরেজি বছরটি একটু পরেই শেষ হয়ে যাবে। নতুন বছর আসবে। বাংলা বছরটি শেষের দিকে, তিন মাস বাকি মাত্র। এভাবেই মুহূর্তগুলো দিন, মাস, বছর; অতঃপর শতাব্দী হয়ে উঠে। আমার সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে ২০০০ সালের কথা। আর তারপরে, ১২ টা … [বাকিটুকু পড়ুন]
আচ্ছা একটা সমাজকে কিভাবে চেনা যায় ? এই সমাজের মানুষগুলোর আচার আচরণ ,কাজ , তার পেশা ইত্যাদির ভিত্তিতে ? যেমন এক একটা এলাকা অথবা লোকালয় সেদিক থেকেও কিন্তু পরিবেশ টাকে ঠিক চেনা যায় ।
যেমন কিছু কিছু এলাকা অথবা আমরা এখন যেই রকম এক একটি এলাকায় থাকি যেখানে বলা যায় … [বাকিটুকু পড়ুন]
এক আত্মা হয়ে বাঁচতে গিয়ে দেখেছি- কঙ্কালের কারাগারে চর্মের পর্দায় পর্দানশীন হয়ে বেঁচে আছি। ইতিহাস সাক্ষী- কোন কয়েদী পায়ে নিগড় লাগিয়ে সুখী হয়নি। অথচ, শত দুঃখ-যন্ত্রনায় আবদ্ধ হয়েও আঁকড়ে থাকতে চায় সকলে। অশরীরি জীবনের স্বাদ শুধু কল্পিত- হয়তো পাখির মত উড়ে উড়ে চিরসুখের অনুভূতি। অপ্রাপ্তি নেই, অভাব-অভিযোগ-অনুযোগ নেই। চির … [বাকিটুকু পড়ুন]
আজিকার আশ্বিনের মধ্যরাত্রিতে বার্ধক্যের জরাগ্রস্থ হতভাগ্য বৃদ্ধের মত নিভুনিভু প্রদীপের ম্লান আলোতে যাহা লিখিতে বসিয়াছি- তাহাকে নিতান্ত কাহারও বিক্ষিপ্ত ভাবনা বা প্রলাপ বই আর কিছু ভিন্ন বলিয়া সম্বোধন করা যাইবে না। প্রশ্ন উঠিতে পারে- ইহা কাহার প্রলাপ। তাহাই ভাবিতেছি। পরিচয়পত্রের মত সংখ্যা বসাইয়া নির্দিষ্ট করিয়া কাহারও উপরে আরোপ করা যাইবে … [বাকিটুকু পড়ুন]
আমার একটি সাম্রাজ্য আছে। আলেক্সান্ডারের পদলুণ্ঠিত পারস্য থেকেও বিশাল। বিশাল- চেঙ্গিস খানের লহুপিয়াসী তরোবারির অনুগত মেদিনীর চেয়ে। সূচাগ্র মৃত্তিকার জন্য আমাকে যুদ্ধ করতে হয় না। এক পলক দৃষ্টিতেই সব আমার হয়ে যায়। অসীম আমার সাম্রাজ্যের সীমানা, অথবা পরিমাপের উর্ধ্বে। সীমান্ত নেই- তাই অতন্দ্র প্রহরী নেই। অজেয়- তাই ‘দুর্জয়’ নামে কোন … [বাকিটুকু পড়ুন]
নিজের চেহারা ফর্সা থেকে ফর্সাতম করলেই আপনি জীবনের সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারবেন না। কারণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আপনাকে সুদক্ষ হতে হবে, সচেতন হতে হবে, সুচতুর হতে হবে। আপনার কাপড় ঝকঝক করা মানেই আপনি সবকিছুতে এ-ওয়ান নন। আপনার চেহারা চকচক করলেই আপনি স্মার্ট নন। আপনার কাপড় চকমক করলেই … [বাকিটুকু পড়ুন]
১।
সে জানে চৌধুরীর ফসল। অমন দীর্ঘাঙ্গী, নাক উঁচু, অমন ফর্সা পুত্র তারা দুজনের কালো দেহে জন্মানোর কথা না। তাদের আগেও কেউ ফর্সা ছিল না। তবুও সেই পুত্রকে কলিজার টুকরো করে বড় করেছে। তার নিজের পিতৃত্বের ছায়াতলে। যেদিন দুর্ঘটনায় সেই পুত্র লোকান্তরে গেল, ঝরঝর করে কেঁদেছিল। দিন-রাত কেঁদেছিল। এখনও কাঁদে। আসলেই, … [বাকিটুকু পড়ুন]
পুকুরের বুক-ভরা জল। কাকচক্ষু নয়, কেমন জানি খয়েরী। বৃষ্টি হচ্ছে, পানারা বাড়ছে। ঝড়ো হাওয়ায় ফেলা কৃষ্ণচূড়ার পাপড়ীরা ভাসছে। বাতাসের খেলা তখনও শেষ নয়। কখনও পানাকে এধারে, কখনও ওধারে নিয়ে যায়। পানা আর কৃষ্ণুচূড়া একসাথে মিশে যায়। সবুজ আর লালের মিশ্রণ, অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকতে হয়। গ্রীষ্মের দুরন্ত কিশোর-হাওয়াকে প্রশংসা করতে … [বাকিটুকু পড়ুন]
গাড়ী থেকে নামলাম। একটানা দুই ঘন্টা ধরে বসে থাকতে থাকতে কোমরে যেন খিল মারছে। তাও রাস্তার কল্যানে। একদা এই পথে যান্ত্রিক গাড়ী চলত না। অনেক দূর থেকে পায়ে হেঁটে আসতে হত। শুনেছি, আমার বাবাও পনর-ষোল মেইল হেঁটে গিয়ে মাকে বিয়ে করেছিলেন।
ধূলি মেখে শিল্পায়নের অভিশাপ না আশীর্বাদ- জানি না, … [বাকিটুকু পড়ুন]
মানসিক রোগীদের কেইস স্টাডি পড়েছিলাম। আসলে প্রশ্ন জাগে, কোন কিছুকে আমরা রোগ কেন বলি। উত্তর সহজে আসে, যা স্বাভাবিকের বিপরীত, এবং ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে আসে। আচ্ছা, স্বাভাবিকতাই-বা আমরা নির্ধারণ করি কিভাবে? এর উত্তর সহজ নয়, ধ্রুব নয়। হাজার হাজার বছর ধরে পূর্বজদের অনুসৃত পথে চলে এবং সময়ের সাথে সাথে প্রকৃতি … [বাকিটুকু পড়ুন]